‘হিন্দুস্তান’ গ্রন্থটি শাইখুল ইসলাম হুসাইন আহমাদ মাদানী (রহিমাহুল্লাহ) কর্তৃক রচিত ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস বিষয়ের অধীনে প্রকাশিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল আলোচিত (#৩ বেস্টসেলার) সংকলন। এই বইটি ব্রিটিশ শাসনের পূর্বে হিন্দুস্তানের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং ব্রিটিশদের দ্বারা সেই সম্পদ লুটপাটের করুণ ইতিহাস তুলে ধরে।
গ্রন্থের মূল বার্তা ও ঐতিহাসিক তথ্য:
শীর্ষ ধনী হিন্দুস্তান: লেখক এক অবিশ্বাস্য সত্য তুলে ধরেছেন: “ব্রিটিশদের আগমনের পূর্বে হিন্দুস্তান ছিল পৃথিবীর শীর্ষ ধনী দেশ।”
অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি: পুরো হিন্দুস্তানে প্রচলিত ছিল এক হাজারেরও বেশি মুদ্রা, এবং হিন্দুস্তানের জিডিপি ছিল পুরো পৃথিবীর দুই তৃতীয়াংশ।
ইংরেজ ঐতিহাসিকদের স্বীকারোক্তি:স্যার থমাস মুনরো, উইলিয়াম বেন্টিংক, লর্ড ম্যাকলে-সহ অনেক ইংরেজ ঐতিহাসিক স্বীকার করেছেন—ইংল্যান্ডের শিল্পবিপ্লব হিন্দুস্তানের সম্পদের কল্যাণেই অস্তিত্ব এসেছে।
অনুসন্ধানের মূল প্রশ্ন: বইটি কয়েকটি মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজে:
কেমন ছিল বিখ্যাত সেই হিন্দুস্থানের শিল্পব্যবস্থা?
কত উন্নত ছিল হিন্দুস্তানের আর্থিক খাত?
কিভাবেই বা হাতেগোনা কিছু মানুষ হিন্দুস্তানকে গড়ে তুলল এক সমৃদ্ধ সাম্রাজ্য হিসেবে?
বিপ্লবী থেকে দরিদ্র জাতি: এই গ্রন্থটি সেই করুণ ইতিহাস বর্ণনা করে যে, “বিপ্লবী একটি জাতি কীভাবেই-বা পরিচিত হলো পৃথিবীর দরিদ্রতম, কাঙাল ও ক্ষুধার্ত জাতি হিসেবে?” এবং “কীভাবেই-বা একটি দেশকে লুটপাট করে ঘটানো হলো ব্রিটেনের শিল্পবিপ্লব? গড়ে তোলা হলো মিল-ফ্যাক্টরি, কল-কারখানা ও সভ্যতার ধ্বজাধারীদের বিশাল সাম্রাজ্য?”
যারা ঔপনিবেশিক শাসনের পূর্বে ভারতীয় উপমহাদেশের অর্থনৈতিক গৌরব, সেই সম্পদ লুটপাটের প্রক্রিয়া এবং ব্রিটিশ শিল্পবিপ্লবে হিন্দুস্তানের সম্পদের ভূমিকা সম্পর্কে প্রামাণিক ও বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা পড়তে আগ্রহী, তাদের জন্য ‘হিন্দুস্তান’ একটি অপরিহার্য, তথ্যবহুল ও চোখ খুলে দেওয়া মতো গ্রন্থ।
Reviews
There are no reviews yet.