গ্রন্থের মূল বার্তা ও আলোচনার ক্ষেত্র:
- সংকটের পটভূমি: লেখক প্রথমে “কোয়ান্টাম মেথড” সম্পর্কে সাধারণ মানুষের “উদাসিনতা” এবং “তৃপ্তিদায়ক” উত্তর পাওয়ার মতো নির্ভরযোগ্য মাধ্যমের অভাব তুলে ধরেছেন।
- বাতিলদের কৌশল: তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, “মানুষের মধ্যে প্রথা ভাঙার একটা সুপ্ত ইচ্ছা” থাকে এবং “একটু ভিন্ন হতে সকলেই চায়।” এই ইচ্ছাকে পুঁজি করেই “যুগে যুগে বাতিলদের মহড়া দেখা গেছে।” তারা “ইসলামকে মডিফাই করে, একটু ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে; নতুন ইসলাম হাজির করার চেষ্টা” করে। কেউ কেউ “সব ধর্মের সাথে ইসলামকে মিশিয়ে একটা জগাখিচুরি তৈরী করেছে।”
- কোয়ান্টাম মেথডের স্বরূপ: লেখক কোয়ান্টাম মেথডকে “অনুরূপ একটা নতুন ধারা” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা “তাওহীদ ও শিরকের জগাখিচুড়ি তৈরী করেছে।”
- ধর্মীয় সম্পর্ক: সমালোচকদের প্রশ্নের জবাবে যে, “কোয়ান্টাম মেথড কি কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান! যদি না হয়, তাহলে এর সাথে ধর্মের মিল-অমিল খোঁজার কী দরকার?” লেখক বড় সত্যটি তুলে ধরেছেন যে, “ধর্ম নিয়ে কোয়ান্টাম মেথডের একটা বড় কার্যক্রম চলে।”
- সতর্কবার্তা: এই বইটি মুসলমানদেরকে সজাগ করতে চায়, যেন তারা “অন্ধভাবে এই মেথডের সাথে জড়াচ্ছেন” এবং এর ফলস্বরূপ “তাদের ঈমান হারাচ্ছেন”—এই মারাত্মক ঝুঁকি থেকে বাঁচতে পারে। গ্রন্থটি কোয়ান্টাম মেথডের “ভেতরকার কথা” এবং ইসলামের সাথে এর সাংঘর্ষিক দিকগুলো ফিকহি দৃষ্টিকোণ থেকে পর্যালোচনা করেছে।
যারা কোয়ান্টাম মেথডের ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে তাত্ত্বিক ও ফিকহি পর্যালোচনা, তাওহীদের বিশুদ্ধতা নিয়ে এর সাংঘর্ষিক দিকসমূহ এবং মুসলমানদের ঈমান ও আমল রক্ষায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা সম্পর্কে জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য ‘ইসলাম ও কোয়ান্টাম মেথড’ একটি অপরিহার্য ও সতর্কতামূলক পাঠ্য।
Reviews
There are no reviews yet.